
“ডাক্তার, আমি pregnant। এখন কি দাঁতের treatment করা যাবে?”
গর্ভাবস্থায় দাঁতের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের কাছ থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই শুনতে হয়। অনেকেই দাঁতে ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বা মুখ ফুলে যাওয়ার পরও dentist-এর কাছে আসতে ভয় পান। তাঁদের ধারণা, pregnancy-তে dental treatment করলে হয়তো গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে।
এই ভয় থেকে অনেকে কয়েক মাস ধরে painkiller খেয়ে ব্যথা সহ্য করেন। কেউ কেউ delivery না হওয়া পর্যন্ত treatment পিছিয়ে দেন। ফলাফল হলো—যে ছোট cavity সহজে filling করে ঠিক করা যেত, সেটি পরে root canal বা extraction পর্যন্ত গড়ায়। কখনো infection ছড়িয়ে গালও ফুলে যায়।
শুরুতেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বলে রাখি: গর্ভাবস্থা dental treatment বন্ধ রাখার কারণ নয়।
Routine check-up, দাঁত পরিষ্কার করা, প্রয়োজনীয় filling, root canal এবং জরুরি extraction-সহ preventive, diagnostic ও restorative dental treatment pregnancy-র যেকোনো পর্যায়ে করা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুধু গর্ভবতী বলে পিছিয়ে দিলে সমস্যাটি আরও জটিল হতে পারে।
Pregnancy-তে শরীরে hormonal change হয়। এর কারণে মাড়ি dental plaque-এর প্রতি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি sensitive হয়ে যেতে পারে। ফলে মাড়ি লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া এবং brushing-এর সময় রক্ত পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। একে pregnancy gingivitis বলা হয়।
CDC-এর তথ্য অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীদের মধ্যে প্রায় ৬০ থেকে ৭৫ শতাংশের gingivitis হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে pregnancy হলেই মাড়ির রোগ হবেই। দাঁতের চারপাশে আগে থেকে plaque জমে থাকলে hormonal change সেই inflammation-কে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
এখানে একটা common mistake হয়। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে অনেকে ওই জায়গায় brush করা কমিয়ে দেন। তাঁদের মনে হয় brushing-এর কারণেই রক্ত পড়ছে। বাস্তবে পরিষ্কার করা বন্ধ করলে plaque আরও জমে এবং মাড়ির inflammation বাড়তে পারে।
Soft toothbrush দিয়ে gentle কিন্তু নিয়মিত brushing চালিয়ে যেতে হবে। রক্ত পড়া কয়েক দিনের মধ্যে না কমলে অথবা মাড়ি বেশি ফুলে গেলে dental check-up প্রয়োজন।
আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত একটি কথা হলো, “একটি সন্তান মানে মায়ের একটি দাঁত নষ্ট।”
এই ধারণাটি medical fact নয়। গর্ভের শিশু মায়ের দাঁত থেকে calcium টেনে নেয় না। Pregnancy নিজে সরাসরি দাঁত ক্ষয় বা দাঁত পড়ে যাওয়ার কারণও নয়। তবে pregnancy-তে খাবারের ধরন বদলে যাওয়া, বারবার মিষ্টি খাওয়া, morning sickness, vomiting এবং oral hygiene ঠিকমতো বজায় রাখতে না পারার কারণে cavity ও gum disease-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অর্থাৎ সমস্যাটি “শিশু calcium নিয়ে যাচ্ছে” নয়। মূল বিষয় হলো এই সময় দাঁত ও মাড়ির যত্নে কিছু extra attention প্রয়োজন।
Pregnancy-র প্রথম দিকে nausea এবং vomiting খুব common। বারবার বমি হলে পাকস্থলীর acid মুখে এসে দাঁতের enamel নরম করে দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন হলে দাঁতের surface ক্ষয়, sensitivity এবং cavity-এর risk বাড়তে পারে।
বমি করার পর অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে শক্তভাবে দাঁত brush করেন। এটি না করাই ভালো। Acid-এর সংস্পর্শে দাঁতের enamel সাময়িকভাবে নরম থাকে। ঠিক তখন brushing করলে enamel-এর ওপর আরও abrasion হতে পারে।
বমির পর প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ভালোভাবে rinse করুন। চাইলে এক গ্লাস পানিতে প্রায় এক চা-চামচ baking soda মিশিয়ে কুলকুচি করে ফেলে দিতে পারেন। এটি মুখের acid neutralize করতে সাহায্য করে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পরে soft toothbrush দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন।
Toothpaste-এর গন্ধে nausea হলে ছোট head-এর toothbrush ব্যবহার করতে পারেন। খুব strong flavour-এর পরিবর্তে mild-flavoured fluoride toothpaste বেছে নেওয়া যেতে পারে। Brush করার সময় সামনের দিকে ঝুঁকে ধীরে ধীরে শ্বাস নিলে কারও কারও gagging কম হয়।
Pregnancy-তে দাঁতের যত্নের জন্য খুব complicated routine প্রয়োজন নেই। নিয়মিত ও সঠিকভাবে কয়েকটি কাজ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দিনে দুইবার প্রায় দুই মিনিট ধরে fluoride toothpaste দিয়ে দাঁত brush করুন। Toothbrush যেন soft-bristled হয় এবং দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল ভালোভাবে পরিষ্কার করে।
দুই দাঁতের মাঝখানে toothbrush পুরোপুরি পৌঁছাতে পারে না। তাই প্রতিদিন অন্তত একবার floss অথবা dentist-এর পরামর্শ অনুযায়ী interdental brush ব্যবহার করুন।
মিষ্টি, biscuit, chocolate বা sugary drink খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। চেষ্টা করুন সারা দিনে অল্প অল্প করে বারবার না খেয়ে meal time-এর সঙ্গে খেতে। কারণ কতটা চিনি খেলেন, তার পাশাপাশি কতবার দাঁতকে চিনির সংস্পর্শে আনছেন—সেটিও cavity তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ।
খাওয়ার পর plain water পান করা বা পানি দিয়ে মুখ rinse করা যেতে পারে। Balanced diet অনুসরণ করুন এবং pregnancy supplement বা calcium tablet নিজের সিদ্ধান্তে শুরু না করে obstetrician-এর পরামর্শ মেনে চলুন।
কখনো কখনো pregnancy-তে মাড়ির ওপর ছোট, লাল এবং সহজে রক্ত পড়ে—এমন একটি growth দেখা দিতে পারে। একে pregnancy tumour বা pyogenic granuloma বলা হয়।
“Tumour” শব্দটি শুনে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। এটি সাধারণত cancer নয়। Hormonal change, plaque এবং local irritation-এর কারণে এমন swelling তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে delivery-এর পর এটি ছোট হয়ে যায়। তবে growth-টি বড় হলে, বারবার রক্ত পড়লে বা খেতে সমস্যা হলে dentist-এর examination দরকার।
নিজে থেকে growth-টি কাটার, চাপ দেওয়ার বা কোনো chemical লাগানোর চেষ্টা করবেন না। দেখতে কাছাকাছি হলেও মুখের সব growth একই ধরনের নয়। তাই professional diagnosis জরুরি।
আরেকটি common concern হলো dental X-ray।
দাঁতের root, bone এবং ভেতরের infection শুধু বাইরে থেকে দেখে বোঝা সব সময় সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে pregnancy-তে dental radiograph বা X-ray করা যায়। American Dental Association অনুযায়ী clinically necessary dental X-ray pregnancy-র যেকোনো পর্যায়ে করা নিরাপদ। Dental clinic-এ standard radiation-safety protocol অনুসরণ করে কেবল প্রয়োজনীয় image নেওয়া হয়।
তবে X-ray করার আগে dentist ও radiology staff-কে অবশ্যই জানান যে আপনি pregnant অথবা pregnant হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে আপনার treatment plan ও প্রয়োজনীয় precaution ঠিকভাবে নেওয়া যায়।
ভয় পেয়ে প্রয়োজনীয় X-ray না করলে কখনো দাঁতের root infection, abscess অথবা impacted tooth-এর সঠিক diagnosis দেরি হয়ে যেতে পারে।
অনেকের ধারণা, pregnancy-তে local anesthesia দেওয়া যায় না। ফলে তাঁরা anesthesia ছাড়াই treatment করার কথা ভাবেন অথবা ব্যথা সহ্য করে চিকিৎসা পিছিয়ে দেন।
প্রয়োজনীয় dental treatment-এর সময় ব্যবহৃত কিছু common local anesthetic pregnancy-তে ব্যবহার করা যায়। কোন medicine, কত dose এবং কোন technique ব্যবহার করা হবে, সেটি dentist রোগীর medical history ও pregnancy status বিবেচনা করে ঠিক করেন।
Dental appointment-এর শুরুতেই জানান:
High-risk pregnancy বা জটিল medical condition থাকলে dentist প্রয়োজন অনুযায়ী obstetrician-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে treatment plan করতে পারেন।
অনেকে মনে করেন প্রথম তিন মাসে কোনো dental treatment করা যাবে না, আবার কেউ মনে করেন আট বা নয় মাসে dentist-এর কাছে যাওয়া নিষেধ।
বাস্তবে প্রয়োজনীয় এবং emergency dental care pregnancy-র যেকোনো trimester-এ করা যায়। Toothache, abscess, broken tooth বা infection থাকলে শুধু trimester-এর কারণে treatment পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
তবে non-urgent এবং দীর্ঘ appointment-এর ক্ষেত্রে second trimester অনেক রোগীর জন্য তুলনামূলক comfortable হতে পারে। প্রথম trimester-এ nausea বেশি থাকতে পারে, আর pregnancy-র শেষ দিকে দীর্ঘ সময় dental chair-এ চিৎ হয়ে থাকা অস্বস্তিকর হতে পারে।
শেষের দিকে appointment হলে dentist-কে discomfort সম্পর্কে জানান। প্রয়োজন অনুযায়ী chair-এর position পরিবর্তন, ছোট appointment এবং মাঝেমধ্যে বিরতি দেওয়া যেতে পারে।
Pregnancy-তে toothache শুরু হলে পরিচিত কারও পরামর্শে painkiller বা antibiotic খাওয়া ঠিক নয়। “আগেও এই antibiotic খেয়েছি”—এই যুক্তিও pregnancy-তে যথেষ্ট নয়।
Pregnancy-র বিভিন্ন পর্যায়ে medicine-এর risk ও benefit আলাদা হতে পারে। একইভাবে সব toothache-এ antibiotic প্রয়োজন হয় না। Cavity, cracked tooth, gum inflammation বা nerve infection-এর treatment আলাদা।
Dentist-কে pregnancy ও চলমান সব medicine-এর তথ্য জানান। প্রয়োজন হলে dentist আপনার obstetrician-এর সঙ্গে আলোচনা করে pain control অথবা antibiotic-এর সিদ্ধান্ত নেবেন। ADA-ও pregnant patient-এর pain-control medicine নির্বাচন করার সময় obstetrician-এর সঙ্গে coordination-এর কথা উল্লেখ করে।
মনে রাখবেন, painkiller সাময়িকভাবে ব্যথা কমাতে পারে; কিন্তু দাঁতের ভেতরের infection, cavity বা abscess ঠিক করে না।
Pregnancy-তে নিচের কোনো সমস্যা হলে routine appointment-এর জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবেন না:
বিশেষ করে swelling দ্রুত বাড়লে, চোখ বা গলার দিকে ছড়িয়ে পড়লে, শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট হলে দ্রুত emergency medical care প্রয়োজন। Dental infection চিকিৎসা ছাড়া ফেলে রাখা pregnancy-তে নিরাপদ বিকল্প নয়।
সম্ভব হলে pregnancy plan করার সময়ই একটি dental check-up করিয়ে নিন। এতে cavity, gum disease, wisdom tooth-এর সমস্যা অথবা পুরোনো filling-এর defect আগে থেকেই চিহ্নিত করা যায়।
Cleaning, প্রয়োজনীয় filling এবং gum treatment সময়মতো হয়ে গেলে pregnancy-র শেষ দিকে হঠাৎ dental emergency হওয়ার risk কমানো যায়।
গর্ভাবস্থায় একজন মা নিজের খাবার, ঘুম, medicine এবং নিয়মিত check-up নিয়ে যতটা সচেতন থাকেন, dental health-ও সেই prenatal care-এরই অংশ।
মাড়ি থেকে রক্ত পড়াকে “pregnancy-তে এমন হয়” বলে অবহেলা করবেন না। আবার দাঁতের treatment করালে শিশুর ক্ষতি হবে—এই ভয়েও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পিছিয়ে দেবেন না।
আমি pregnant রোগীদের সাধারণত একটি কথাই বলি:
“Pregnancy-তে দাঁতের চিকিৎসা বন্ধ থাকে না; চিকিৎসাটা শুধু আরও পরিকল্পিতভাবে করা হয়।”
আপনার dentist-কে pregnancy সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানান, obstetrician-এর পরামর্শগুলো শেয়ার করুন এবং নিজে থেকে medicine খাবেন না। নিয়মিত brushing, interdental cleaning, balanced diet এবং সময়মতো dental check-up—এই ছোট অভ্যাসগুলো pregnancy-র পুরো সময়টাকে অনেক বেশি comfortable করতে পারে।
মা সুস্থ থাকলে শিশুর যত্নও ভালোভাবে নেওয়া সম্ভব। আর সেই সুস্থতার মধ্যে মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ডা. মো. তাহসিন আহম্মেদ
Dentist & Oral and Maxillofacial Surgeon